তথ্য ও বিশ্লেষণ
খাতায় জমা পড়া রিপোর্ট থেকে যা বেরিয়ে আসে। প্রতিটি সংখ্যার পাশে কতজনের উত্তরের ভিত্তিতে সেটি বলা হচ্ছে তা লেখা আছে, আর যেখানে যথেষ্ট উত্তর নেই সেখানে সংখ্যা দেখানো হয় না।
হিসাব কীভাবে হয় তা পদ্ধতির পাতায় লেখা আছে।
১
প্রকাশিত রিপোর্ট
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
এটি স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট — বাংলাদেশের প্রকৃত হয়রানির হার নয়।
নীরবতার কারণ
যাঁরা ঘটনার কথা কাউকে জানাননি, তাঁরা কেন জানাননি। এই প্রশ্নটি শুধু তাঁদেরই করা হয়, তাই এখানকার n পুরো খাতার চেয়ে ছোট।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
জানানোর পর কী হয়েছে
প্রতিষ্ঠান, পুলিশ বা আইনি সহায়তায় যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কী হয়েছিল। যাঁরা কাউকে জানাননি তাঁরা এই হিসাবের বাইরে।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
কে থামায়
হয়রানি শেষ পর্যন্ত কীভাবে থেমেছে। এই ভাগটি দেখায় ভারটা কার কাঁধে পড়ে — ভুক্তভোগীর, না প্রতিষ্ঠানের।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
কী মূল্য দিতে হয়েছে
একজন একাধিক উত্তর দিতে পারেন — চাকরি ছেড়েছেন এবং বাসাও বদলেছেন — তাই এখানকার শতাংশ যোগ করলে ১০০-র বেশি হয়।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
গ্রাম ও শহর
একই প্রশ্ন — ঘটনার কথা কাউকে জানিয়েছিলেন কি না — এলাকা অনুযায়ী আলাদা করে। প্রতিটি এলাকার নিজের n আছে, আর ৩০-এর কম হলে সেই এলাকার শতাংশ দেখানো হয় না।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
মহানগর — কাউকে জানাননি
(n=১)
রিপোর্টের সংখ্যা: মহানগর ১ · জেলা শহর ০ · উপজেলা বা মফস্বল ০ · গ্রাম ০
কোথায় ঘটে
কোন পরিসর থেকে কত রিপোর্ট এসেছে। এটি সংখ্যা, হার নয় — বেশি রিপোর্ট মানে বেশি হয়রানি নয়, বেশি জানানো।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
(n=১) — ৩০টি রিপোর্ট না হলে ভাগ দেখানো হয় না
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
বিভাগ অনুযায়ী
প্রতি ১ লাখ মানুষে কত রিপোর্ট। জনসংখ্যা BBS আদমশুমারি ২০২২ থেকে নেওয়া — অনুমান করা হয়নি।
| বিভাগ | রিপোর্ট | জনসংখ্যা |
|---|---|---|
| চট্টগ্রাম | পর্যাপ্ত তথ্য নেই | ৩৪১৭৮৬১২ |
| ঢাকা | ০ | ৪৫৬৪৪৫৮৬ |
| খুলনা | ০ | ১৭৮১৩২১৮ |
| রাজশাহী | ০ | ২০৭৯৪০১৯ |
| বরিশাল | ০ | ৯৩২৫৮২০ |
| সিলেট | ০ | ১১৪১৫১১৩ |
| রংপুর | ০ | ১৮০২০০৭১ |
| ময়মনসিংহ | ০ | ১২৬৩৭৪৭২ |
(n=১)
প্রতি ১ লাখে হার এখনো দেখানো হচ্ছে না। একটি বিভাগের হার দেখাতে সেই বিভাগে অন্তত ৫০টি রিপোর্ট লাগে, কোনো বিভাগে এখনো তা হয়নি।
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
জনসংখ্যার উৎস: Population and Housing Census 2022, National Report (Volume I), Bangladesh Bureau of Statistics (BBS), Statistics and Informatics Division, Ministry of Planning, November 2023 — Table 3.1.4, "Enumerated and Adjusted Population by Division, 2022", p. 43
এটি স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট — বাংলাদেশের প্রকৃত হয়রানির হার নয়।
আইন পালনের ফাঁক
কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ কমিটি থাকার কথা। ছিল কি না, আর থাকলে নিষ্পত্তি হয়েছিল কি না — এই প্রশ্ন দুটি শুধু ওই দুই পরিসরেই করা হয়।
কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো রিপোর্টে এখনো এই প্রশ্নের উত্তর আসেনি।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
জানা ও না-জানা
ঘটনার সময় কোথায় জানাতে হয় তা জানতেন কি না, আর ঘটনায় একজন নাকি একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল।
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
ঘটনা যাঁদের সাথে ঘটেছে
প্রশ্নটি ঐচ্ছিক, তাই অনেক রিপোর্টে এই উত্তর নেই। এটি এখানে আছে একটি কারণে: ছেলে ও পুরুষ ভুক্তভোগীদের নিয়ে বাংলাদেশে কোনো নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্য নেই।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
এই পাতার প্রতিটি সংখ্যা স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট থেকে। কে জমা দেবেন তা কেউ বেছে দেননি, তাই এটি বাংলাদেশের প্রকৃত হয়রানির হার নয় — যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা কী জানিয়েছেন তার হিসাব।